হোম / বাংলাদেশ

News
এই চিত্র থেকে আন্দাজ করা যায়, মোটামুটি এক রকম বৃদ্ধির হারে বাড়তে থাকলে ২০১৬ থেকে আজকের সময় অব্দি ওই বাড়ির ভাড়া বর্তমানে ২৭ হাজার টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ঢাকাবিমুখী মানুষের স্রোত চলছে কিছুদিন ধরে কাজ হারানোর বাস্তবতায় মেট্রোপলিটন শহরে বসবাসের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলছে নিম্ন আয়ের মানুষ ভুক্তভোগীদের বর্ণনা থেকে জানা যায়, বছরের শেষ ভাগে বাড়িতে উঠলেও জানুয়ারির প্রথম থেকে নিয়মমাফিক অন্তত কিছু ভাড়া বাড়ানোর জন্য বাড়িওয়ালারা চাপ প্রয়োগ করেন। উদয়াস্ত পরিশ্রম যত কঠিনই হোক না কেন, আয়ের উৎস হঠাৎ করে হারিয়ে গেলে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে মানুষ দি‌গ্‌বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়তে পারে। আমাদের মতো দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে অবশ্য করুণ মানসিক অবস্থার চেয়ে খেয়েপরে বেঁচে থাকার সংগ্রামকে তীব্রতর হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই ঢাকা থেকে ছোট শহর বা গ্রামমুখী স্রোত হয়তো দীর্ঘদিন চলতে থাকবে। জীবনযাপনের খরচ বৃদ্ধি কম–বেশি ৩০ বছর আগে এই শহরে কাজের সন্ধানে আসতে থাকা অসংখ্য মানুষের বাসাবাড়ির প্রয়োজনে ছোট বাড়িগুলো ভেঙে তৈরি শুরু হয়েছিল বহুতল, নদী-ডোবা ভরাট হয়ে পরিণত হয়েছিল সস্তার পাড়ায়। প্রকৃতপ‌ক্ষে, ভাড়া বাড়িতে বসবাসকারী মানুষ নিজ নিজ আয়ের ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ বাসা ভাড়ায় খরচ করে। বিভ্রান্ত হয়ে তারা ভাবতে পারে, তাদের আগের জীবনটা সাময়িক ছিল, নাকি এখনকারটা! তাদের মধ্যে বিষণ্নতার হার বাড়তে পারে এবং অসম্ভব হলেও আগের অবস্থানে ফেরার বিফল চেষ্টায় দীর্ঘস্থায়ী হতাশা আসতে পারে। কৃষিকাজে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তবে যা–ই হোক, বহু মানুষের গ্রামমুখী এ যাত্রা মূলত কৃষিক্ষেত্রে নতুন আয়ের উৎস খোঁজার দিকে ইঙ্গিত করে